পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে জমে উঠতে শুরু করেছে কেনাকাটা। তবে এবারের ঈদের বাজারে এক অদ্ভুত পরিস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বড়দের পোশাক বা জুতোর তুলনায় শিশুদের পণ্যের দাম অনেকটা আকাশচুম্বী। মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের ক্রেতারা শিশুদের জন্য পছন্দের জিনিস কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন।
সরেজমিনে বিভিন্ন মার্কেট ও বিপণিবিতান ঘুরে দেখা গেছে, ছোটদের এক জোড়া জুতো বা সামান্য একটি পোশাকের দাম অনেক ক্ষেত্রে বড়দের সমান, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে বেশি রাখা হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি এবং শিশুদের পণ্যে কারুকাজ বেশি থাকায় দাম একটু বেশি। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, উৎসবের সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়ীরা বাড়তি মুনাফা আদায় করছেন।
কেনাকাটা করতে আসা এক অভিভাবক জানান, “নিজের জন্য কিছু না কিনলেও বাচ্চার খুশির জন্য মার্কেটে এসেছি। কিন্তু ছোট এক জোড়া জুতোর যে দাম চাওয়া হচ্ছে, তা দিয়ে অনায়াসেই বড়দের ভালো মানের এক জোড়া জুতো পাওয়া সম্ভব। দামের এই অসামঞ্জস্য আমাদের মতো সাধারণ মানুষের জন্য কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আমদানিকৃত শিশুদের পোশাক ও জুতোর ওপর নির্ভরতা এবং স্থানীয় বাজারে তদারকির অভাবে প্রতি বছরই ঈদের সময় শিশুদের পণ্যের দাম অযৌক্তিকভাবে বেড়ে যায়।
পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে সাধারণ মানুষ এখন সাধ্যের মধ্যে পণ্য খুঁজছেন। তবে আকাশচুম্বী দামের কারণে অনেককেই খালি হাতে ফিরতে দেখা গেছে। আসন্ন দিনগুলোতে বাজার মনিটরিং জোরদার না করলে সাধারণ ক্রেতাদের ভোগান্তি আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
