রোজা ঈদ পার হলেও স্বস্তি ফেরেনি নিত্যপণ্যের বাজারে। বরং উৎসবের অজুহাতে বাড়া চড়া দাম এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে আরও এক দফা বেড়েছে। বিশেষ করে গরুর মাংস, খাসির মাংস এবং মৌসুমি সবজির দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। আজ রাজধানীর কারওয়ান বাজার, শান্তিনগর ও সেগুনবাগিচা বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয় গরুর মাংসের দাম। রমজানের শুরু থেকে দফায় দফায় বেড়ে এখন প্রতি কেজি গরুর মাংস এলাকাভেদে ৯৫০ থেকে ১,০০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ মাত্র কয়েক মাস আগেও যা ৭৫০-৮০০ টাকার মধ্যে ছিল।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, পশুর খাদ্যের দাম বৃদ্ধি এবং পরিবহন খরচের কারণে পাইকারি বাজারেই দাম বেশি। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, সিন্ডিকেটের কারণে মাংসের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। এদিকে খাসির মাংসের দাম দাঁড়িয়েছে প্রতি কেজি ১,২০০ থেকে ১,৩০০ টাকা, যা অনেক মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এখন বিলাসিতা।
শীতকালীন সবজি শেষ হয়ে এখন বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজির আধিপত্য। তবে দামের ক্ষেত্রে কোনোটিই পিছিয়ে নেই। সজনে ডাঁটা: প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০-১৮০ টাকায়। করলা ও উস্তা: প্রতি কেজি ৮০-১০০ টাকা বেগুন ও পটল: মানভেদে ৬০-৮০ টাকা। কাঁচামরিচ: প্রতি কেজি ১২০-১৫০ টাকা।
বাজার করতে আসা এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বলেন, “ভেবেছিলাম ঈদের পর দাম কমবে, কিন্তু বাজারে এসে দেখি উল্টো চিত্র। এক কেজি মাংস কেনা এখন স্বপ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। সবজির দামও প্রতিদিন বাড়ছে।”মাং
সে নাভিশ্বাস উঠলেও ব্রয়লার মুরগির বাজার গত কয়েকদিনের তুলনায় স্থিতিশীল রয়েছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২০০-২১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সোনালী মুরগির দাম কেজিপ্রতি ৩২০-৩৪০ টাকা। ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪৫-১৫০ টাকায়
