ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান পরোক্ষ শান্তি আলোচনা পুরোপুরি স্থগিত করার বিষয়ে তেহরান একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ইরানের আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম ‘তাসনিম নিউজ এজেন্সি’-এর বরাতে প্রকাশিত এই সংবাদের মূল বিষয়গুলো নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
আলোচনা স্থগিতের মূল কারণ
-
যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন: লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান চলমান থাকা এবং যুদ্ধবিরতির প্রধান শর্ত হিসেবে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করার পরেও সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘিত হওয়াকে প্রধান কারণ হিসেবে দেখিয়েছে ইরান।
-
ইসরায়েলের অভিযান: ২০০০ সালের পর এই প্রথম ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের এত গভীরে প্রবেশ করেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
আলোচনায় ফেরার শর্তাবলি
ইরানের আলোচনাকারী দল মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে সংলাপ ও নথিপত্র বিনিময় বন্ধ করলেও, আবারও আলোচনা শুরু করার জন্য কিছু শর্ত দিয়েছে:
-
গাজা এবং লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
-
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের দখলকৃত এলাকাগুলো থেকে ইসরায়েলি বাহিনীকে সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করে নিতে হবে।
বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা
পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলার ইঙ্গিত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, ইরান এবং তার মিত্ররা বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান দুটি সমুদ্রপথ—হরমুজ প্রণালি (সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ করা) এবং লোহিত সাগরের প্রবেশদ্বারে অবস্থিত বাব আল-মান্দেব প্রণালিসহ অন্যান্য ফ্রন্টগুলো সক্রিয় করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই নৌপথগুলো বন্ধ হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে।
