বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের সংযোগকারী একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।
সোমবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজিত ‘সৌদিয়া অ্যান্ড এইচএসবিসি: পাওয়ারিং গ্লোবাল কানেক্টিভিটি- সেলিব্রেটিং সৌদিয়ার জার্নি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রীর বক্তব্যের মূল বিষয়সমূহ
-
নতুন উচ্চতায় বিমান খাত: আধুনিক বিমানবন্দর অবকাঠামো নির্মাণ, যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের এভিয়েশন খাতকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চায় সরকার।
-
দূরদর্শী নেতৃত্ব: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ এভিয়েশন অগ্রযাত্রায় একটি নতুন যুগে প্রবেশ করেছে।
-
বিনিয়োগের আহ্বান: বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্য অর্জনে আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্স, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতা ও বিনিয়োগকে স্বাগত জানানো হয়।
-
সৌদিয়ার কার্যক্রমের প্রশংসা: বাংলাদেশে সৌদিয়ার দীর্ঘ ৪৬ বছরের কার্যক্রমের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, সৌদিয়া শুধু একটি এয়ারলাইন নয়, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন। প্রতিষ্ঠানটি লাখ লাখ যাত্রীকে সেবা দিয়েছে, প্রবাসী কর্মীদের যাতায়াত সহজ করেছে এবং হজ ও ওমরাহ পালনকারী মুসল্লিদের নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য ভ্রমণ নিশ্চিত করেছে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন: তানভীর গনি – প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক), ড. আবদুল্লাহ ইবন ধাফের ইবন উবাইয়া – বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত, সৌদিয়া, এইচএসবিসি ব্যাংক এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানের বক্তারা বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বিমান যোগাযোগ, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি বৈশ্বিক সংযোগ সম্প্রসারণে এভিয়েশন খাতের ভূমিকা এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করা হয়।
