Noboshakti Logo
ঢাকাসোমাবার , ২০ জুলাই ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইটি বিশ্ব
  3. আজকের পত্রিকা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম ও জীবন
  6. একদিন প্রতিদিন
  7. কোভিড-১৯
  8. ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী
  9. খেলা
  10. চাকরি
  11. চিত্র বিচিত্র
  12. জনপ্রিয় সংবাদ
  13. জাতীয়
  14. ডাক্তার আছেন
  15. দরকারি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

লিবিয়ায় মানবপাচারকারী চক্রের হাতে জিম্মি মনোহরগঞ্জ উপজেলার ছয় বাংলাদেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক
জুলাই ২০, ২০২৬ ১২:৪১ পূর্বাহ্ন
Link Copied!

লিবিয়িায় মানবপাচারকারী চক্রের হাতে জিম্মি ছয় বাংলাদেশির জন্য দেড় কোটি টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছে। টাকা না দেওয়ায় তাদের ওপর চালানো হচ্ছে অমানুষিক নির্যাতন। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে এবং সন্তানদের অক্ষত অবস্থায় ফিরে পেতে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদন করেছেন। 

জিম্মি হওয়া যুবকরা হলেন, মনোহরগঞ্জ উপজেলার খিলা ইউনিয়নের দিশাবন্দ গ্রামের শাহাদাত হোসেন (২০), মানিকুল ইসলাম (২০), মো. সোহেল (২৭), তাজ মোহাম্মদ (২৫), ফয়সাল (২০) এবং লক্ষণপুর ইউনিয়নের বেতিয়াপাড়া গ্রামের মেহেদী হাসান (২১)।

ভুক্তভোগী মানিকুল ইসলামের বাবা মাহবুবুর রহমান জানান, দিশাবন্দ গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে মানিকের মাধ্যমে ইতালি নেওয়ার কথা বলে প্রায় ৯ মাস আগে মানিকের ভাই সামছুল আলমকে ২০ লাখ টাকা দেওয়া হয়। টাকা নেওয়ার পর মানিকুলকে বাংলাদেশ থেকে লিবিয়া নেওয়া হয় এবং সেখানে তাকে একটি দালালচক্রের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বর্তমানে তার ছেলে ওই চক্রের হাতে জিম্মি এবং মুক্তিপণের জন্য তার ওপর চরম নির্যাতন চালানো হচ্ছে।

একই ধরনের অভিযোগ করেন লক্ষণপুর ইউনিয়নের বেতিয়াপাড়া গ্রামের মেহেদী হাসানের বাবা শাহআলম।

তিনি জানান, প্রায় আট মাস আগে ছেলেকে ইতালি পাঠানোর কথা বলে দালাল সামছুল আলম নগদ ১৮ লাখ টাকা নেয়। বর্তমানে মেহেদীকে লিবিয়ায় মুক্তিপণের দাবিতে নির্মম নির্যাতন করা হচ্ছে।

ভুক্তভোগীদের পরিবার সূত্র জানিয়েছে, লিবিয়া নিয়ে প্রায় ৮ মাস নিজেদের হেফাজতে রাখার পর সম্প্রতি যুবকদের অন্য একটি দালালচক্রের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। গত ১৫-২০ দিন ধরে তাদের একটি গোপন আস্তানায় আটকে রেখে জনপ্রতি ২৫ লাখ টাকা (মোট দেড় কোটি টাকা) মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে। দাবিকৃত টাকা আদায় করতে যুবকদের ওপর চালানো হচ্ছে অমানবিক নির্যাতন। সেই নির্যাতনের লোমহর্ষক ভিডিও চিত্র ইমো ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বাংলাদেশে তাদের পরিবারের কাছে পাঠানো হয়েছে। নির্যাতনের সেই ভিডিও দেখে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন অসহায় পরিবারের সদস্যরা।

এ বিষয়ে  মনোহরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদ আহমেদ বলেন, “অবৈধ পথে কে, কীভাবে, কোন দালালের মাধ্যমে বিদেশে গিয়েছেন এ সংক্রান্ত কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য বা লিখিত অভিযোগ এখনো পর্যন্ত আমাদের কাছে আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”