Noboshakti Logo
ঢাকাসোমাবার , ৩০ মার্চ ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইটি বিশ্ব
  3. আজকের পত্রিকা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ই-পেপার
  6. ইসলাম ও জীবন
  7. একদিন প্রতিদিন
  8. কোভিড-১৯
  9. ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী
  10. খেলা
  11. চাকরি
  12. চিত্র বিচিত্র
  13. জনপ্রিয় সংবাদ
  14. জাতীয়
  15. ডাক্তার আছেন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক: ডিজিটাল আসক্তি কাটাতে সরকারের বড় ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ৩০ মার্চ, ২০২৬
মার্চ ৩০, ২০২৬ ১২:২৮ অপরাহ্ন
Link Copied!

​আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে দেশের সকল প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। মূলত শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ত্বরান্বিত করতে এবং অতিরিক্ত ডিজিটাল ডিভাইসের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে মাঠে ফিরিয়ে আনতেই এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

​গত রোববার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সরকার কেবল পড়াশোনা নয়, শিক্ষার্থীর সামগ্রিক বিকাশে খেলাধুলাকে পাঠ্যক্রমের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে যাচ্ছে।

​জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB) সূত্রমতে, প্রাথমিকভাবে সাতটি জনপ্রিয় ইভেন্টের মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু হবে। এগুলো হলো:

১. ফুটবল

২. ক্রিকেট

৩. দাবা

৪. ভলিবল বা ক্যারাটে

৫. ব্যাডমিন্টন

৬. অ্যাথলেটিক্স

৭. সাঁতার

​কেন এই উদ্যোগ?

​সংসদে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান সময়ে শিশুরা ঘরের কোণে মোবাইল বা কম্পিউটার গেমে বেশি আসক্ত হয়ে পড়ছে। এতে তাদের শারীরিক গঠন ব্যাহত হচ্ছে এবং সামাজিকীকরণে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করার মাধ্যমে আমরা তাদের মাঠে ফিরিয়ে আনব, যা একটি সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সহায়ক হবে।”

​এই প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার দেশের প্রতিটি উপজেলায় (৪৯৫টি) অন্তত একটি করে উন্নত খেলার মাঠ তৈরি ও সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় যৌথভাবে দক্ষ শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে।

​শুধু মাঠের খেলাই নয়, পাঠ্যবইয়েও এসব খেলার তাত্ত্বিক জ্ঞান এবং প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিশেষ অধ্যায় যুক্ত করা হবে। চতুর্থ শ্রেণি থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে এই কারিকুলাম বিস্তৃত হবে বলে জানা গেছে।

​অভিভাবক ও বিশেষজ্ঞরা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলছেন, এটি বাস্তবায়ন হলে আগামী প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা যেমন শারীরিকভাবে ফিট থাকবে, তেমনি ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ক্রীড়াঙ্গনেও আরও বেশি প্রতিভা উঠে আসবে।