ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের সপ্তম মাসে এসে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে লক্ষ্য করে আরও কঠোর হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ। তার দাবি, মার্কিন অত্যাধুনিক এফ-৩৫ ও এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ‘শিকার’ করার যুগ ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে।
‘দুঃস্বপ্নই এখন প্রতিদিনের বাস্তবতা’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ বলেন, এমন সময় শুরু হয়েছে যখন মার্কিন এফ-৩৫ ও এফ-১৫ যুদ্ধবিমানকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে এবং সেগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর যুক্তরাষ্ট্রকেই প্রকাশ করতে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন:
-
দৈনন্দিন বাস্তবতা: যা একসময় মার্কিন বাহিনীর জন্য কেবল একটি দুঃস্বপ্ন বলে মনে হতো, এখন সেটিই প্রতিদিনের বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে।
-
ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ: মার্কিন সামরিক বহরকে এখন এমন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে—যেখানে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা তাদের লক্ষ্যবস্তু করতে পারে, বিভিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হতে পারে এবং তাদের অবস্থান তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা যেতে পারে।
মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষয়ক্ষতি ও গোলাবারুদের ঘাটতি
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ওপর চাপ বাড়ছে বলে সামরিক কর্মকর্তা ও বিভিন্ন মূল্যায়নে উঠে এসেছে।
পেন্টাগনের ইন্সপেক্টর জেনারেলের একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে:
-
স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি: ইরানের ধারাবাহিক হামলায় পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর শত শত ভবন ও সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।
-
গোলাবারুদের সংকট: সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার ফলে মার্কিন বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ কিছু গোলাবারুদের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
-
কৌশল পরিবর্তন: পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর সার্বিক পরিচালন ও যুদ্ধকৌশলে পরিবর্তন আনতে হয়েছে।
